مدد فورم کو بطور پڑھا ہوا نشان زدہ کریں Live Feed
بسم الله الرحمن الرحيم
دولت اسلامیہ نے الرقہ میں طیارہ شکن توپ سے جنگی طیارے ’میغ‘ کو مار گرایا | لیبیا میں مجاہدین نے فضائی ڈیفنس فوجی کیمپ کو فتح کرکے ملنے والے مال غنیمت اور اپنا ریڈیو چینل شروع کرنے کی تصاویر | دولت اسلامیہ کے بعض ہسپتالوں اور ڈسپنسریوں کی تصاویر۔۔۔ جنہیں میڈیا نشر نہیں کرتا ہے | القاعدۃ جزیرۃ العرب اور القاعدۃ مغرب اسلام نے مشترکہ طور پر دولت اسلامیہ کیخلاف عالمی جنگ کی مذمت میں بیان جاری کردیا | vice news چینل کی 5حصوں میں ڈاکو منٹری فلم .. فلسطینی صحافی کا دولت الاسلامیہ ریاست کا دورہ | دولت اسلامیہ کا کردستان حکومت کے ہیڈکوارٹرز فتح کرکے اس کا کنٹرول سنبھالنے کی ویڈیو ریلیز | دولت اسلامیہ کا’’امریکہ کے اتحادیوں کے نام‘‘ ایک برطانوی فوجی کو ذبح کرکے ویڈیو پیغام ریلیز | دولت اسلامیہ کا ولایت نینوی کے مغربی شمالی علاقوں کو فتح کرنے کی تصاویر |

                            تازہ ترین
  بند کریں / کھولیں  

انصاراللہ اردو
واشنگٹن پوسٹ کا دولت اسلامیہ ریاست کا کئی ملکوں سے رقبے ، عسکری اوراقتصادی طور پر موازنہ کرکے اسے ایک بڑا ملک قرار دینا
vice news چینل کی 5حصوں میں ڈاکو منٹری فلم .. فلسطینی صحافی کا دولت الاسلامیہ ریاست کا دورہ
دولت اسلامیہ کا کردستان حکومت کے ہیڈکوارٹرز فتح کرکے اس کا کنٹرول سنبھالنے کی ویڈیو ریلیز
دولت اسلامیہ کا’’امریکہ کے اتحادیوں کے نام‘‘ ایک برطانوی فوجی کو ذبح کرکے ویڈیو پیغام ریلیز
دولت اسلامیہ ریاست کے یتیم بچوں کی کفالت کرنے والے ادارے کی سرگرمیاں اور بچوں کی نگہداشت وتفریح کی تصاویر
دولت اسلامیہ کی اسپیشل چھاپہ مار کمانڈو فورس کی خفیہ مخبروں کیخلاف منفرد کارروائیوں کی تصاویر
دولت اسلامیہ کا گیس اسٹیشن کی مرمت کرکے شامی مسلم عوام میں گیس مفت تقسیم کرنے کی تصاویر
دولت اسلامیہ کا جرف الصخر کو رافضی شیعوں کا قبرستان بنانے کے معرکے کی ویڈیو ریلیز
دولت اسلامیہ کانصیری شامی فوج سےبریگیڈ 93 آزاد کرنے کی زبردست دستاویزی ویڈیوفلم ریلیز
دولت اسلامیہ کا دوسرے امریکی کو ذبح کرکے امریکہ کے نام دوسرا ویڈیو پیغام جاری کرنا
شاہ عبداللہ : دولت اسلامیہ کو نہیں روکا گیا تو 1 مہینے میں یورپ اور 2 مہینے میں امریکہ تک اس کا جہاد پہنچ جائے گا
فلپائن میں جہاد کرنے والی جہادی جماعتوں کا خلیفۃ المسلمین شیخ ابوبکر البغدادی کی بیعت کرنے کی ویڈیو
غزہ میں دولت اسلامیہ کی جماعت انصار کا اسرائیلی علاقوں پر میزائلوں کی بارش کرنے کی ویڈیو
کرامات :معرکہ میں دولت اسلامیہ کے ایک مجاہد کے شہادت کے آخری لمحات...خود اس کے اپنے کیمرے کی ویڈیوسے
اسٹیفن : امریکی صحافی نہیں بلکہ شام کی زمین پر ذبح ہونے والا پہلا اسرائیلی یہودی تھا
حرکت شباب المجاہدین کا اپنے امیر مختار ابو الزبیر کے شہید ہونے اور ان کی جگہ شیخ ابو عبیدۃ احمد عمر کو ان کا جانشین بنانے کا اعلان
دولت اسلامیہ کا مرتدشامی فوج سے الطبقہ فضائی فوجی ایئربیس کو فتح کرنے کا معرکہ ..تصاویر میں (2)
دولت اسلامیہ کا مرتدشامی فوج سے الطبقہ فوجی فضائی ایئربیس فتح کرنے کا معرکہ ..تصاویر میں (1)
موصل شہر کا خلافت اسلامیہ کے سائے تلے ترقی پذیر ہونے کی دلکش خوبصورت تصاویر ..(1)
موصل شہر کا خلافت اسلامیہ کے سائے تلے ترقی پذیر ہونے کی دلکش خوبصورت تصاویر ..(2)
حرکت شباب المجاہدین کے سپاہیوں کے مابین حسن تلاوت قرآن کریم کی ویڈیو
دولت الاسلامیہ کا عوام تک حقیقت پہنچانے کے لیے جگہ جگہ دعوتی میڈیا پوائنٹ قائم کرنے کی تصاویر
ادارہ الملاحم نے القاعدۃ مجاہدین کا القطن شہر میں مرتد یمنی فوج کی چھاؤنی پر حملہ کرنے کی ویڈیو ریلیز کردی
دولت الاسلامیہ کے ایک چیچن مجاہد کا بشار اسد کے اسنائپر مین فوجی کو پاگل کرنے کی ویڈیو
شام وعراق کی سرحدوں کو ختم کرکے دونوں ملکوں کے شہروں پر دولت اسلامیہ کا ایک نیا صوبہ قائم کرنے کا اعلان
شیطان کی پوجا سے توبہ کرکے سینکڑوں یزیدیوں کا اسلام قبول کرنے کی ویڈیو
جماعت انصار الاسلام کی شوری کونسل کا اپنی تنظیم ختم کرکے دولت الاسلامیہ کی بیعت کرنے کا اعلان
الدولۃ الاسلامیہ کا عید الفطرکے موقع پربچوں کو کھیل وتفریح سے منع کرنے کے پروپیگنڈے کا توڑ کرنے کی تصاویر جاری
طالبان مجاہدین کی پکتیکا میں صلیبی اتحادی ومرتدین افواج کیخلاف جہادی کارروائیوں کی ویڈیو فلم ریلیز
پاکستانی مجاہدین کے استاد اسامہ محمود حفظہ اللہ کے آڈیو بیان ’’وزیرستان سے فلسطین ۔۔۔ ایک کہانی ، ایک عنوان !‘‘ کا تحریری مسودہ


واپس جائیں   Bab-ul-Islam - باب الإسلام > Other Languages (دیگر زبانیں) > بنگلا سیکشن - বাংলা বিভাগ > বিশুদ্ধ ইসলামী জ্ঞান


جواب
 
موضوع ٹولز ڈسپلے موڈ

 
 
  
  
  #1  
پُرانا 12-03-2012
pen একবিংশ শতাব্দীর জিহাদে দেওবন্দ মাদ্রাসা ও হানাফী মাজহাবের অবদান

একবিংশ শতাব্দীর জিহাদে দেওবন্দ মাদ্রাসা ও হানাফী মাজহাবের অবদান


"দারুল উলুম দেওবন্দভারত উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ ও সুপ্রাচীন ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিগত শতাব্দীতে মুসলিম বিশ্বের অনেক খ্যাতনামা মনীষী বর্গের জন্মদাতা হলো এই প্রতিষ্ঠান। উম্মাহর ইলম ও আমলের পথে এই মাদ্রাসা সফল রাহবার। একবিংশ শতাব্দীর জিহাদে এই মাদ্রাসার অবদান বুঝতে হলে আমাদেরকে ফিরে তাকাতে হবে এর ইতিহাসের দিকে।

১৮৫৭ সালের স্বাধীনতা সংগ্রাম ছিল মুসলমানদের পক্ষ থেকে হিন্দুস্তানকে ব্রিটিশ আগ্রাসন মুক্ত করার সর্বশেষ সশস্ত্র পদক্ষেপ। এই আন্দোলনের মাধ্যমে উপনেবেশিক শক্তি এতটুকু উপলব্ধি করতে পেরেছিল যে, মুসলিম জাতি কোন অবস্থাতেই গোলামীর জিন্দেগী বরণ করে নিতে সম্মত হবে না। তাই তারা কর্ম কৌশল পরিবর্তন করল। যেসাদা চামড়ার নরপিশাচ ভারতবর্ষের মাটিতে লক্ষ মুসলমানের বুকের তাজা রক্তেখুনের দরিয়া রচনা করেছে, তারাই আবার সর্বসাধারনের কল্যাণকামীর মুখোশ পরেতাদের সামনে হাজির হল।

উদ্দেশ্য ছিল, ভয়-ভীতি দেখিয়ে কিংবা গায়ের জোরে যে কওমকে দমন করা যায় না, ধীরে ধীরে তাদের চিন্তা-চেতনা ও মানসিকতায় আমূল পরিবর্তন আনা। যেন তারা ধর্মীয় অনুশাসন, স্বকীয় সভ্যতা ও দীপ্তিমান অতীতকে ভুলে গিয়ে অদূর ভবিষ্যতে নিজেকে সতন্ত্র জাতি হিসেবে মূল্যায়ন করতে না পারে।

এই হীন উদ্দেশ্য সফল করার সবচেয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ ছিল মুসলমানদের শিক্ষা ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধন করা। এবং এর মাধ্যমে তাদের দিল-দেমাগে পাশ্চাতের চতুর্মূখী কুফরী প্রভাব বদ্ধমূলকরা। যেন এতে প্রভাবিত হয়ে তারা নিজ বিবেক দিয়ে স্বাধীনভাবে চিন্তা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে লর্ড ম্যাকলএদেশের মানুষের জন্য এক নতুন শিক্ষানীতির সুপারিশ করে। তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সে একটি দীর্ঘ প্রবন্ধ রচনা করেন। তাতে ভারতবর্ষের জাতীয় শিক্ষানীতি তথা মাদ্রাসাশিক্ষা ব্যবস্থাকে ন্যাক্কারজনক ভাবে উপহাস করা হয়। এবং ওলামায়ে কেরামের উপর ভিত্তিহীন অভিযোগ উত্থাপন করা হয় পরিশেষে সে স্পষ্ঠ ভাষায় লিখে যে,

এখনআমাদের কর্তব্য হল, এমন একদল মানুষ তৈরি করা যারা আমাদের অধিকৃত অঞ্চলেরঅধিবাসী ও আমাদের মাঝে দোভাষীর দায়িত্ব পালন করবে। যারা রক্ত ও বর্ণেভারতবর্ষের হলেও চিন্তা-চেতনা, মেধা-মনন ও চারিত্রিক দৃষ্টিকোন থেকে হবেইংরেজ

দূরদর্শী ওলামায়ে কেরাম এই সুদূর প্রসারী চক্রান্ত ওতার ভয়াবহতা সম্পর্কে বেখবর ছিলেন না। তাঁরা বুঝতে পেরেছিলেন, এমন পরিস্থিতিতে মুসলমানদের দ্বীন-ঈমান রক্ষার্থে কোন কার্যকরী পদক্ষেপ না নিলে অদূর ভবিষ্যতে তারা সতন্ত্রজাতি হিসেবে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পারবে না। কয়েক খান্দান পরে হয়তো ইসলাম ও তার মৌলিক বৈশিষ্ট্যাবলী সম্পর্কে সচেতন কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। তাই তাঁরাও সম্মুখ সমরে লড়াইএর পাশাপাশি নব উদ্ভুত শিক্ষানীতির ধ্বংসের হাত থেকে মুসলিম জাতিকে রক্ষার পথ বের করলেন। আর দারুল উলূম দেওবন্দপ্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তাঁরা সে দিকেই অগ্রসর হয়েছিলেন।

হযরত মাওলানা কাসেম নানুতবী (রঃ), রশিদ আহম্মদ গাঙ্গুহী (রঃ), হাজী আবেদ হুসাইন (রঃ) ১৮৫৮ সালের জিহাদে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেন। এমনকি তারা উত্তর প্রদেশের একটি ক্ষুদ্র ভূখণ্ডে ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠায় সক্ষম হন। (সুবহানাল্লাহ)

এ কারনে অবশ্য দীর্ঘদিন যাবৎ তাঁদেরকে ইংরেজ প্রশাসনের কোপানলের শিকার হয়ে থাকতে হয়েছিল। সশস্ত্র সংগ্রাম আপাত ব্যর্থ হলে তাঁরা জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহর জন্য পর্যাপ্ত মানুষ প্রস্তুতির জন্য একটি নীরব ও সফল আন্দোলনের বীজ দেওবন্দের মাটিতে বপন করেন। যা ধীরে ধীরে গোটা ভারতবর্ষে আপন শাখা-প্রশাখা, পত্র-পল্লব বিস্তার করে এক মহীরুহের রূপ ধারন করে।

তদানীন্তন ভারতবর্ষে কোন দ্বীনি মারকায প্রতিষ্ঠা করা ছিল নিজেকে মৃত্যু মুখে ঠেলে দেবার নামান্তর। সুলতান মুহাম্মদ তুঘলকের শাসনামলে শুধুমাত্র দিল্লিতেই সহস্রাধিক মাদরাসা ছিল। কিন্তু ফিরিঙ্গি আগ্রাসনের পর পুরো ভারতবর্ষের কোথাও একটি মাদরাসা খুঁজে পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়েছিল। ওলামায়ে কেরামকে আযাদী আন্দোলনে অংশ গ্রহণের অপরাধে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলানো হতো কিংবা আন্দামান দ্বীপে নির্বাসন দেয়া হতোআর যারা মুক্ত ছিলেন, সংঘবদ্ধ হওয়া তাদের জন্য ছিল দুষ্কর। তাই আকাবিরগণ প্রতিষ্ঠানের জন্য গ্রামকেই বেছে নিয়ে প্রভুত কল্যাণের এই ধারা রচনা করেন।

১৫ মুহাররম ১২৮৩ হিজরী মোতাবেক ৩০ মে ১৮৬৭ খ্রীষ্টাব্দে নিতান্ত অনাড়ম্বর এক অনুষ্ঠানে এই নীরব আন্দোলন প্রতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। এখলাসের সাথে দ্বীনের খেদমতই যেহেতু একমাত্র লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ছিল তাই কোন প্রচার মাধ্যমের আশ্রয় না নিয়ে দেওবন্দের ছোট্র পল্লিতে, ছাত্তা মসজিদের আঙ্গিনায়, একটি ডালিম গাছের ছায়ায়, আবেহায়াতের এই নহর তারা রচনা করেন। দুই বুযুর্গের মাধ্যমে কার্যত প্রতিষ্ঠানটির পদযাত্রা শুরু হয়। প্রথমজন শিক্ষক; হযরত মাওলানা মোল্লা মাহমুদ। দ্বিতীয়জন ছাত্র; দেওবন্দের নওজোয়ান মাহমুদ হাসান। যিনি পরবর্তীতে শাইখুল হিন্দ মাহমুদুল হাসান নামে খ্যাত হন। এবং ইংরেজ হটাও আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

লর্ড ম্যাকল কর্তৃক ইসলামকে মিটিয়ে দেওয়ার হীন ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতঃ দ্বীনকে অক্ষুন্ন রাখা ছিল দারুল উলূম দেওবন্দ প্রতিষ্ঠার অন্যতম মৌলিক উদ্দেশ্য। এরই সাথে ওলামায়ে কেরামের এক জানবাজ জামাত তৈরি করাও ছিল সময়ের দাবী, যারা যে কোন পরিস্থিতিতে দ্বীনকে আগলে রাখবেন, সর্বস্তরের জনসাধারণের কাছে পৌঁছে দিবেন এবং এই উম্মাহকে জিহাদে নেতৃত্ব দিবেন।

যদি বলা হয় দারুল উলূমনিজস্ব পরিমণ্ডলে সফল, তাহলে অতুক্তি হবে না। প্রতিষ্ঠার সূচনা লগ্ন থেকে তালীম তরবিয়ত, তাযকীয়া-তাসাউফ, দাওয়াত-সিয়াসত, জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহসহ প্রতিটি অঙ্গনের জন্য সে জন্ম দিয়ে আসছে যুগের খ্যাতনামা মনীষীবর্গ ও মুজাহিদ্গণকে। যারা দ্বীনকে আগলে রেখেছেন অক্ষুন্ন আদলে। তারা অমিয় বাণী পৌঁছে দিয়ে যাচ্ছেন উম্মাহর প্রতিটি ব্যক্তির কানে। আহারে-অনাহারে, দুঃখে-সাচ্ছন্দ্যে যে কোন প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে, আপন স্বার্থকে পেছনে ফেলে উম্মতের মাঝে ধর্মীয় মূল্যবোধ টিকিয়ে রাখতে তারা নিবেদিত প্রাণ। বাতিলের শত ঝড়-ঝাপটার মুখে হিমালয়ের মত অবিচল, তাগুতি শক্তির বিরুদ্ধে গর্জে ওঠা সমুদ্র তরঙ্গের ন্যয় উত্তাল, নববী আদর্শের মূর্ত প্রতীক।

আর একথাতো সবার জানা যে, একবিংশ শতাব্দীর জিহাদের মূল সূতিকাগার হলোঃ খোরাসান। এই যুগে জিহাদের যতগুলি মাআরেকা রয়েছে তার সবগুলিই প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে খোরাসানের উপর নির্ভরশীল। এমনকি শহীদ আব্দুল্লাহ আজ্জাম (রঃ) সহআরব মুজাহিদীনরা খোরাসানের হানাফী-দেওবন্দী মুসলমানদের কাছে পেয়েছিলেন জিহাদের জন্য নুসরাত ও সহযোগিতা। এজন্যই বোধ করি দরবারী আলেমদের জিহবা দেওবন্দ মাদ্রাসা ও আহনাফদের বিরুদ্ধে এতো ধারালো। কারণ এই আহনাফ ও দেওবন্দ ফারেগ আলেমরাই সেখানে জিহাদের ঝান্ডা বুলন্দ রেখেছেন। আর এখানে এসে সবাই তাওহীদ আল আমালি এর শিক্ষা পেয়ে শুধুমাত্র এসি রুমের ভিতরে বসে তাওহীদের বড় বড় কিতাবের আলোচনার অসারতা বুঝতে পেরেছে।



পাকিস্থান, ইরাক, শিশান, ইয়েমেন, মালিসহ সাম্প্রতিক আল-শামে জিহাদের ময়দানে সর্বত্রই আফগান ফেরত মুজাহিদীনদের এক বিরাট অবদান রয়েছে। ইরাকের শাইখ আবু মুসাব আল যারকাওয়ী (রঃ) খোরাসানে জিহাদের প্রশিক্ষণ লাভ করেন। চেচনিয়ার শাইখ খাত্তাব (রঃ) খোরাসানে জিহাদের প্রশিক্ষণ লাভ করেন। এভাবেই ইয়েমেন, মালি ইত্যাদি জিহাদের ময়দানগুলোতে খোরাসানের রয়েছে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা। সর্বোপরি তানজীম আল কায়িদা পুরোটাই প্রাথমিকভাবে খোরাসানের জিহাদে অংশগ্রহণকারীদের দ্বারা গঠিত হয়।


আর খোরাসানের স্থানীয় বেশীরভাগ আলেম ও সাধারণ মানুষ যারা এই জিহাদের অন্যতম অনুঘটক তারা হানাফী মাজহাবের অনুসারী ও দেওবন্দ মাদ্রাসা ফারেগ অথবা দেওবন্দ সিলসিলার মাদ্রাসা ফারেগ। যেমনঃ দারুল উলুম করাচী যার প্রতিষ্টাতা মুফতী শফি (রঃ) যিনি নিজেও দেওবন্দ মাদ্রাসার সাথে যুক্ত ছিলেন। আমীরুল মুমিনীন মোল্লা মোহাম্মদ ওমর (দাঃ বাঃ) নিজেও পেশোয়ারে দেওবন্দী সিলসিলার মাদ্রাসা দারুল উলুম হাক্কানিয়াতে ইলম অর্জন করেছেন। এত বেশী তালিবান মুজাহিদীন কমান্ডার এই মাদ্রাসায় পড়েছেন যে, এই মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা সামসুল হক (দাঃ বাঃ)কে Father of Taliban ডাকা হয়।

কাফিররা দেওবন্দ সিলসিলার মাদ্রাসা নিয়ে কতটা চিন্তিত। এ কারণেই তারা বাংলাদেশেও কাওমী মাদ্রাসার সিলেবাস নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। বেনজীর ভুট্টো চেয়েছিল পাকিস্তানের মাদ্রাসা সিলেবাসের পরিবর্তন করতে।

তাই এই কথা নিসন্দেহে বলা যায়ঃ একবিংশ শতাব্দীর জিহাদে দেওবন্দ মাদ্রাসা ও হানাফী মাজহাবের অবদান আল্লাহর রহমতে অনেক। আল্লাহ যেন তাদেরকে এই নুসরত জারি রাখার তৌফিক দান করেন ও অন্যান্য সকলকে তাদের করণীয় কাজ সঠিকভাবে করার তৌফিক দান করেন। সবাই মিলে যেন সীসা ঢালা প্রাচীরের ন্যায় আল্লাহর পথে যুদ্ধ করতে থাকে যতক্ষন না আল্লাহর দ্বীন এই জমীনে বিজয়ী হয় ও বাতিল দ্বীনসমূহ সমূলে উৎপাটিত হয়।



[সংকলিত ও সম্পাদিত]



اقتباس کے ساتھ جواب دیں

خوش آمدید
اس موضوع کو مزید دیکھنے کے لئے لاگ ان کریں یا رجسٹر کریں.
جواب

موضوع ٹولز
ڈسپلے موڈ

پوسٹنگ قوانین
آپ نئے موضوعات ارسالنہیں کرسکتے
آپ جوابات ارسالنہیں کرسکتے
آپ اپنے پوسٹس میں اٹیچمنٹ نہیں کرسکتے
آپ اپنے پوسٹس کی تدوین نہیں کرسکتے ہیں

سمائلیز آن ہیں
[IMG]کوڈ آن ہے
HTML کوڈ آف ہے

فورم پر جائیں


تمام اوقات GMT ہیں +5. اب وقت ہوا ہے 03:01 AM.





  
تیار کردہ ۔ وی بلیٹن ® ورژن 3.8.6
کاپی رائٹ ©2000 - 2014، جیل سوفٹ انٹرپرائزز۔ لمیٹڈ